.....

 


প্যাট্রিক ল্যাফক্যাডিও হার্ন ছিলেন গ্রিসে জন্মগ্রহণকারী একজন লেখক যিনি পশ্চিমা পাঠকদের কাছে পূর্ব এশীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছিলেন। গ্রিক মা ও আইরিশ বাবার সন্তান হার্ন আমেরিকায় সাংবাদিকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৮৯০ সালে তিনি জাপানে পাড়ি জমান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। জাপানে তিনি বিভিন্ন শহরে ইংরেজি ভাষা পড়াতেন, অতঃপর একটি সামুরাই পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন এবং দেশটির সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন। ১৮৯৬ সালে তিনি জাপানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে "কোইজুমি ইয়াকুমো" নাম গ্রহণ করেন। তাঁর বিখ্যাত ছোটগল্প "দ্য সোল অব দ্য গ্রেট বেল" ১৮৮৭ সালে তাঁর 'সাম চাইনিজ ঘোস্টস' গল্পসংকলনের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।

---------------------------------------------------------


দ্য সোল অব দ্য গ্রেট বেল

- ল্যাফক্যাডিও হার্ন


‘তা-চুং জ’ বা মহাঘণ্টার মিনারে রাখা জলঘড়িটি সময়ের সংকেত দিচ্ছে; আর ঠিক তখনই সেই ধাতব দানবের ঠোঁটে আঘাত করার জন্য হাতুড়িটি উত্তোলিত হলো—যে বিশাল ঘণ্টাটির গায়ে পবিত্র ফা-হোয়া-কিং এবং লিং-ইয়েন-কিং-এর বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের শ্লোক খোদাই করা আছে! শুনুন, মহাঘণ্টাটি কেমন প্রতিধ্বনি তুলছে! তার কোনো জিহ্বা নেই, তবুও কী তার জোরালো কণ্ঠস্বর! "কো-নগাই!"


সবুজ ছাদের উঁচু কার্নিশে থাকা ছোট ছোট ড্রাগনগুলোর সোনালী লেজের ডগা পর্যন্ত সেই গভীর শব্দের ঢেউয়ে কাঁপছে; চীনামাটির তৈরি সব গার্গয়েল বা ভাস্কর্য তাদের কারুকাজ করা বেদিতে থরথর করে কাঁপছে; প্যাগোডার শত শত ছোট ঘণ্টাও যেন কথা বলার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় অস্থির হয়ে উঠছে। "কো-নগাই!"


মন্দিরের সব সবুজ ও সোনালি টাইলস কাঁপছে; তাদের ওপরের কাঠের সোনালি মাছগুলো যেন আকাশের গায়ে ছটফট করছে; ধূপের নীল ধোঁয়ার ভেতর ভক্তদের মাথার ওপর বুদ্ধের উত্তোলিত আঙুলও কাঁপছে! "কো-নগাই!"


কী বজ্রকঠিন সেই সুর! প্রাসাদের কার্নিশে রাখা সব বার্নিশ করা অপদেবতাগুলো তাদের আগুন রঙের জিভ নাড়াতে শুরু করেছে! আর প্রতিটি বিশাল আঘাতের পর, সেই প্রতিধ্বনির কী অদ্ভুত শব্দ—যেন এক বিশাল সোনালি গোঙানি; এবং সবশেষে কানে ভেসে আসে এক আকস্মিক ফিসফিসানি কান্না, যখন সেই বিশাল গর্জন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে রুপালি ফিসফিসানিতে মিলিয়ে যায়—যেন কোনো নারী কেঁদে বলছে, "হিয়াইইই…!"


গত প্রায় পাঁচশো বছর ধরে মহাঘণ্টাটি প্রতিদিন ঠিক এভাবেই বেজে চলেছে—"কো-নগাই": প্রথমে সেই প্রচণ্ড ঝনঝনানি, তারপর অপরিমেয় সোনালি গোঙানি, আর সবশেষে সেই রুপালি ফিসফিসানি—"হিয়াইইই…!" আর এই পুরনো রঙিন চীনা শহরের অলিগলিতে এমন কোনো শিশু নেই যে এই মহাঘণ্টার গল্প জানে না যে আপনাকে বলতে পারবে না কেন এই ঘণ্টাটিকে "কো-নগাই" বলে ডাকে!


এই সেই মহাঘণ্টার ইতিকথা যা 'তা-চুং জ'-এ সংরক্ষিত আছে এবং যা কুয়াং-চাউ-ফু শহরের পণ্ডিত ইউ-পাও-চেন তার 'পে-হিয়াও-তু-চোন' গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করে গেছেন।


প্রায় পাঁচশো বছর আগের কথা। মিং রাজবংশের স্বর্গীয় মহানুভব স্বর্গপুত্র ইয়াং-লো তার বিশ্বস্ত আমলা কুয়ান-ইউকে আদেশ দিলেন এমন বিশাল আকারের একটি ঘণ্টা তৈরি করতে, যার আওয়াজ একশো 'লি' (চীনা মাইলের একক) দূর পর্যন্ত শোনা যাবে। তিনি আরও নির্দেশ দিলেন যে, ঘণ্টার আওয়াজকে পিতল দিয়ে শক্তিশালী, সোনা দিয়ে গভীর এবং রুপা দিয়ে মিষ্টি করতে হবে; আর এর গায়ে এবং বিশাল ঠোঁটে পবিত্র গ্রন্থের আশীর্বাদপুষ্ট বাণী খোদাই করতে হবে। ঘণ্টাটি ঝোলানো হবে সাম্রাজ্যের রাজধানীর ঠিক মাঝখানে, যেন পিকিং শহরের রঙিন পথঘাট এর সুরে মুখরিত হয়।


অতএব, মান্যবর ম্যান্ডারিন কুয়ান-ইউ সাম্রাজ্যের সেরা ছাঁচ-নির্মাতা এবং বিখ্যাত সব কামার ও ঢালাই-শিল্পীদের ডেকে পাঠালেন। তারা সংকর ধাতুর পরিমাপ করল, নিপুণভাবে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করল এবং ছাঁচ, চুল্লি ও ধাতু গলানোর জন্য দানবীয় সব হাঁড়ি তৈরি করল। তারা দৈত্যের মতো পরিশ্রম করতে লাগল—নিদ্রা, বিশ্রাম বা জীবনের আরাম-আয়েশ সব তুচ্ছ করে দিনরাত তারা কুয়ান-ইউর আদেশে খাটতে লাগল, আর তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল স্বর্গপুত্রের আদেশ পালন করা।


কিন্তু যখন ধাতু গলিয়ে ছাঁচ থেকে বের করা হলো, দেখা গেল তাদের এত কঠোর পরিশ্রম আর যত্ন সত্ত্বেও ফলাফল শূন্য। কারণ ধাতুগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে—সোনা পিতলের সঙ্গে মিশতে ঘৃণাভরে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, আর রুপা গলানো লোহার সঙ্গে কিছুতেই মিশবে না। তাই আবার নতুন করে ছাঁচ তৈরি করতে হলো, আগুন জ্বালাতে হলো, ধাতু গলাতে হলো এবং পুরো ক্লান্তিকর প্রক্রিয়াটি আবারও পুনরাবৃত্তি করতে হলো। স্বর্গপুত্র সব শুনে ক্রুদ্ধ হলেন, কিন্তু মুখে কিছু বললেন না।


দ্বিতীয়বার ঘণ্টাটি ঢালাই করা হলো, কিন্তু ফলাফল হলো আরও ভয়াবহ। ধাতুগুলো আবারও এক হতে জেদ ধরে বেঁকে বসল; ঘণ্টাটির কোথাও সামঞ্জস্য রইল না। এর গায়ে বড় বড় ফাটল দেখা দিল এবং ঠোঁটগুলো ভেঙেচুরে গেল। ফলে কুয়ান-ইউকে অত্যন্ত হতাশ হয়ে তৃতীয়বারের মতো পুরো কাজটা শুরু করতে হলো। যখন স্বর্গপুত্র এই খবর পেলেন, তিনি আগের চেয়েও ভীষণ রেগে গেলেন। আর তিনি লেবু-রঙের রেশমি কাপড়ের ওপর লেখা, ড্রাগনের সিলমোহর মারা একটা চিঠি কুয়ান-ইউ-র কাছে পাঠালেন, তাতে লেখা ছিল:


"পরাক্রমশালী ইয়াং-লো, মহান তাই-সুং, স্বর্গীয় এবং মহিমান্বিত—যাঁর রাজত্ব 'মিং' নামে পরিচিত—তার পক্ষ থেকে ফুহ-ইইন কুয়ান-ইউকে: দুবার তুমি আমাদের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছ, যা আমরা দয়া পরবশ হয়ে তোমার ওপর অর্পণ করেছিলাম। যদি তৃতীয়বার তুমি আমাদের আদেশ পালনে ব্যর্থ হও, তবে তোমার ধড় থেকে মস্তক বিচ্ছিন্ন করা হবে। ভয় পাও এবং মান্য করো!"


কুয়ান-ইউর একটি মেয়ে ছিল, নাম কো-নগাই। সে ছিল চোখধাঁধানো রূপসী, কবিদের মুখে মুখে ফিরত তার নাম; আর তার মন ছিল তার রূপের চেয়েও সুন্দর। কো-নগাই তার বাবাকে এতই ভালোবাসত যে, সে শত শত যোগ্য পাত্রের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল শুধু এই ভয়ে যে, তার অনুপস্থিতিতে বাবার ঘর শূন্য হয়ে যাবে। যখন সে ড্রাগন-সিলযুক্ত সেই ভয়ানক হলুদ চিঠিটি দেখল, বাবার আসন্ন বিপদের কথা ভেবে সে ভয়ে জ্ঞান হারাল। জ্ঞান ও শক্তি ফিরে পাওয়ার পর, বাবার বিপদের চিন্তায় তার চোখে ঘুম নেই। সে গোপনে নিজের কিছু গয়না বিক্রি করল এবং সেই টাকায় এক জ্যোতিষীর কাছে ছুটে গেল। জ্যোতিষীকে অনেক অর্থ দিয়ে সে জানতে চাইল, কীভাবে তার বাবাকে এই আসন্ন বিপদ থেকে রক্ষা করা যায়।


জ্যোতিষী আকাশের নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করলেন, মিল্কি ওয়ের (যাকে আমরা আকাশগঙ্গা বলি) গতিবিধি দেখলেন, রাশিচক্রের চিহ্ন বা 'হলুদ পথ' পরীক্ষা করলেন এবং মহাবিশ্বের পাঁচটি মূলনীতি বা 'হিন'-এর তালিকা ও রসায়নবিদদের রহস্যময় বইগুলো ঘাঁটলেন। দীর্ঘ নীরবতার পর তিনি উত্তর দিলেন: "সোনা এবং পিতল কখনোই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবে না, রুপা এবং লোহা কখনোই একে অপরকে আলিঙ্গন করবে না, যতক্ষণ না কোনো কুমারীর রক্ত-মাংস সেই গলিত ধাতুর পাত্রে আহুতি দেওয়া হয়; যতক্ষণ না কোনো কুমারীর রক্ত সেই সংকর ধাতুর সঙ্গে মিশে যায়।"


কো-নগাই বিষণ্ণ হৃদয়ে বাড়ি ফিরল; কিন্তু সে যা শুনেছে তা গোপন রাখল এবং কাউকেই বলল না সে কী করতে যাচ্ছে।


অবশেষে সেই ভয়ানক দিনটি এল, যেদিন তৃতীয় এবং শেষবারের মতো মহাঘণ্টাটি ঢালাই করার চেষ্টা করা হবে। কো-নগাই তার এক পরিচারিকাকে নিয়ে বাবার সঙ্গে ঢালাইশালায় গেল। তারা এমন একটি উঁচু মঞ্চে দাঁড়াল যেখান থেকে নিচে কর্মরত শ্রমিকদের এবং গলিত ধাতুর লাভাস্রোত দেখা যাচ্ছিল। শ্রমিকরা নিঃশব্দে তাদের কাজ করে যাচ্ছিল; আগুনের গর্জন ছাড়া আর কোনো শব্দ শোনা যাচ্ছিল না। সেই আগুনের গর্জন ক্রমশ গভীর হয়ে ধেয়ে আসা টাইফুনের মতো শোনাতে লাগল। রক্তিম ধাতুর হ্রদটি ধীরে ধীরে ভোরের সূর্যের মতো উজ্জ্বল হয়ে উঠল, সেই সিঁদুরবরণ আভা বদলে গিয়ে সোনালি দ্যুতি ছড়াতে লাগল, আর সবশেষে সেই সোনা চোখের ধাঁধাঁ লাগানো পূর্ণিমার চাঁদের মতো রুপালি ও সাদা হয়ে উঠল। তখন শ্রমিকরা সেই উন্মত্ত আগুনে জ্বালানি দেওয়া বন্ধ করল এবং সবাই কুয়ান-ইউর চোখের দিকে তাকিয়ে রইল সংকেতের অপেক্ষায়। কুয়ান-ইউ ঢালাই শুরু করার সংকেত দিতে প্রস্তুত হলেন।


কিন্তু তিনি আঙুল তোলার আগেই, একটি চিৎকার শুনে মাথা ঘুরালেন। আগুনের সেই প্রচণ্ড গর্জন ছাপিয়ে পাখির গানের মতো তীব্র অথচ মিষ্টি একটি কণ্ঠস্বর সবার কানে বাজল—"শুধু তোমার জন্য, ও বাবা আমার!"—এবং কথাটি বলতে বলতেই কো-নগাই সেই ধবধবে সাদা ধাতব স্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। চুল্লির লাভাস্রোত তাকে গ্রাস করতে গর্জন করে উঠল, আর ছাদ পর্যন্ত দৈত্যাকার আগুনের ফুলকি ছিটিয়ে দিল এবং মাটির পাত্র উপচে নানা রঙের আগুনের ফোয়ারা সৃষ্টি করে ভূমিকম্পের মতো কাঁপতে কাঁপতে বিদ্যুৎ, বজ্রপাত আর গোঙানিসহ শান্ত হয়ে গেল।


কো-নগাইয়ের বাবা শোকে পাগল হয়ে মেয়ের পিছু পিছু ঝাঁপ দিতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু শক্তিশালী শ্রমিকরা তাকে জাপটে ধরল এবং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখল যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি জ্ঞান হারালেন; শেষে তাকে মৃতপ্রায় অবস্থায় বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হলো। আর কো-নগাইয়ের সেই পরিচারিকা যন্ত্রণায় হতভম্ব আর বাকরুদ্ধ হয়ে চুল্লির সামনে দাঁড়িয়ে রইল। তার হাতে ধরা ছিল শুধু একটি জুতো; মুক্তো আর ফুল দিয়ে নকশা করা সেই ছোট্ট, শৌখিন জুতো—যা একসময় তার সুন্দরী মালকিনের ছিল। কো-নগাই যখন ঝাঁপ দিচ্ছিল দাসীটি তার পা ধরার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সে শুধু জুতোটিই ধরতে পেরেছিল; আর সে পাগলের মতো সেটির দিকে তাকিয়ে রইল।


এত কিছুর পরেও, স্বর্গীয় মহানুভবের আদেশ পালন করতেই হলো এবং ঢালাইয়ের কাজ শেষ করতে হলো—তা সে ফলাফল যত হতাশাজনকই হোক না কেন। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ধাতুর উজ্জ্বলতা আগের চেয়ে অনেক বেশি খাঁটি আর সাদা মনে হলো। ভারী ঢালাইয়ের কাজ শেষ হলো। আর কী আশ্চর্য! ধাতু ঠান্ডা হওয়ার পর দেখা গেল, ঘণ্টাটি দেখতে যেমন অপূর্ব, গঠনেও তেমনি নিখুঁত এবং এর রং অন্য সব ঘণ্টার চেয়ে বিস্ময়কর। কো-নগাইয়ের দেহের কোনো চিহ্নই পাওয়া গেল না, কারণ তা সেই মূল্যবান সংকর ধাতুর সঙ্গে পুরোপুরি মিশে গিয়েছিল—সোনা, পিতল, রুপা আর লোহার সেই অপূর্ব মিলনের সাথে একাকার হয়ে গিয়েছিল।


আর যখন তারা ঘণ্টাটি বাজাল, তখন দেখা গেল তার আওয়াজ অন্য যেকোনো ঘণ্টার চেয়ে গভীর, মধুর এবং শক্তিশালী—এমনকি একশো 'লি' দূর থেকেও তা শোনা গেল, যেন গ্রীষ্মের বজ্রপাতের গর্জন; আর তবুও সেই আওয়াজ যেন কোনো এক বিশাল কণ্ঠস্বর, যা একটি নাম উচ্চারণ করছে, এক নারীর নাম—"কো-নগাই!"


আর আজও, সেই প্রতিটি শক্তিশালী আঘাতের মাঝখানের বিরতিতে এক দীর্ঘ ও চাপা হাহাকার শোনা যায়; আর সেই গোঙানি শেষ হয় এক ফোঁপানি ও অভিযোগের সুরে, ঠিক যেন কোনো কান্নারত নারী ফিসফিস করে বলছে, "হিয়াইইই…!" আজও যখন মানুষ সেই বিশাল সোনালি গোঙানি শোনে, তখন তারা নীরব হয়ে যায়; কিন্তু যখন বাতাসে সেই তীব্র, মিষ্টি শিহরণ ভেসে আসে এবং "হিয়াইইই…!" শব্দের ফোঁপানি শোনা যায়, তখন পিকিং শহরের রঙিন গলিগুলোর সব চীনা মায়েরা তাদের ছোট শিশুদের কানে ফিসফিস করে বলে—"শোনো! ওই যে কো-নগাই তার জুতোর জন্য কাঁদছে! ওই যে কো-নগাই তার হারানো জুতো ফেরত চাইছে!"

ই-মেইল সাবস্ক্রিপশন

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

ক্যাটাগরীসমূহ

পৃষ্ঠাসমূহ

Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution 3.0 Unported License.
Protected by Copyscape

ব্লগটি মোট পড়া হয়েছে

বাঙলা ব্লগ. Powered by Blogger.

- Copyright © মেহেদী হাসান-এর বাঙলা ব্লগ | আমার স্বাধীনতা -Metrominimalist- Powered by Blogger - Designed by Mahedi Hasan -