.....
Showing posts with label হ্যাকিং ক্লাস. Show all posts
w3af ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের দুর্বলতা খোঁজার উপায়
BackTrack ব্যবহারকারীদের জন্য
প্রথমে Application এ যান। তারপর BackTrack থেকে Exploitation এ যান। অত:পর Web Exploitation tools থেকে w3af gui তে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো খুলবে। এটাই আমাদের w3af ওয়ার্কিং স্ক্রিন।
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা w3af ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।
প্রথমে এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন।
এক্সট্রাক্ট করে ইনস্টল করে নিন।
w3af ব্যবহার করার নিয়ম
w3af ব্যবহার করা বেশ সহজ। যখন আপনি এতে ক্লিক করবেন নিচের মত একটি উইন্ডো পাবেন।
স্ক্যানের ফলাফল
যখন স্ক্যান সমাপ্ত হবে তখন আপনি নিচের মত দেখতে পাবেন।
Tag :
হ্যাকিং ক্লাস
ওয়েব হ্যাকিং – আসুন আরম্ভ করা যাক (লিট ভাষা)
লিট বা ‘l337’ এর সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে ‘elite’ বা ‘leet’। এটা একধরনের স্ল্যাঙ্গ ভাষা যা দ্বারা কম্পিউটার বা গেমিংয়ে কোন উচ্চ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত বা দক্ষ ব্যক্তিকে বোঝান হয়। leet শব্দটি এসেছে eleet থেকে। লিট ইংরেজী অক্ষরের একটি বিকল্প উপায় যেটা সাধারনত ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়। এটা বিভিন্ন অক্ষরের সমন্বয়ে তৈরী হয়। অক্ষরগুলো হতে পারে সংখ্যা, বড় বা ছোট ইংরেজী অক্ষর, সিম্বল বা চিন্হ ইত্যাদির সমন্বয়ে। যেমন leet হতে পারে 1337 বা l33t, eleet হতে পারে 31337 বা 3l33t.
যখন উইন্ডোজ ৯৫ রিলিজ হয়, তখন ‘দ্য ডেড কাউ কাল্ট’ নামে একটি অখ্যাত হ্যাকিং গ্রুপ উইন্ডোজ ৯৫ চালিত কম্পিউটারগুলোর দখল নেয়ার জন্য ‘ব্যাক অরিফিস’ নামক একটি হ্যাকিং সফটওয়্যার প্যাকেজ ব্যবহার করে এবং যার মাধ্যমে তারা 31337 নেটওয়ার্ক পোর্ট ব্যবহার করে হাজারো কম্পিউটার হ্যাক করতে সক্ষম হয়। তাদের ব্যবহৃত সফটওয়্যারটি ছিল শক্তিশালী একটি বাইপাস প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কম্পিউটারের কোন রেস্ট্রিকটেড প্রোগ্রাম বাইপাস করা যায়। হ্যাকার গ্রুপটির ব্যবহৃত নেটওয়ার্কের নামটিই মডিফাই হয়ে 31337 বা l337 বা eleet বা leet নাম লাভ করে।
বর্তমানে যারা এই লিট ব্যবহার করে তারা সকলেই হ্যাকার নয় বরং যারা কম্পিটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ ও ভালো গেমার তারাই বেশি লিট ব্যবহার করে।
কিছু উদাহরন (শব্দের শেষে ব্যবহার সাপেক্ষে)
(-xor) বা (-zor) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : haxor, pwnzor (H4x0r)
(-age) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : leetage, pwnage, skillage, speakage
(-ness) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : lulzness, leetness
(-ed) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : owned, pwned, hacked
অনেক সময় এটা আরো সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। যেমন : pwn'd, pwnt
(-& বা 7) : কী-বোর্ডে লক্ষ্য করুন & চিহ্নটি রয়েছে নিউমেরিক সিরিয়ালের সাত নম্বরে। তাই একে অনেক সময় and, anned, ant বা 7 ভাবে উপস্থাপন করা হয়।
উদাহরন : seven hill = &hill, banned = b&
(-zorz) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
কোন কিছুর জোর বা বিশালত্ব বোঝাতে এটা শব্দের শেষে ব্যবহৃত হয়। যেমন : pwn বোঝান হয় কাউকে বোকা বানানো বা কোন ওয়েবসাইট আক্রান্ত করার ক্ষেত্রে, কিন্তু এর শেষে উপরোক্ত শব্দটি বসিয়ে pwnzorz করা হলে বোঝানো হবে, কাউকে মহা বোকা বানানো বা কোন হ্যাকিং কাজে বিশাল ভাবে কৃতকায হওয়া।
এছাড়াও ইন্টারনেট খুজলে এরকম আরো অনেক ব্যবহার পাওয়া যাবে।
Haxor and suxxor (suxorz)
শব্দ দুটো ‘hacker’ এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারনত শব্দের শেষে (-xor), (-zor), (-z) ব্যবহার করে এ সকল লিট প্রকাশ করা হয়।
n00b
এটা নিউবাই (newbie) এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারন হ্যাকার বা নতুন হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা হয়।
Owned and pwned
এটা owned, pwn বা poned এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। গেমিংয়ের ক্ষেত্রে বিজয়ীরা এবং হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে হ্যাকাররা কোন হ্যাকিং কাজে সফলতার ক্ষেত্রে উপরোক্ত শব্দগুলো ব্যবহার করে।
Pr0n
শব্দটি পর্নোগ্রাফির স্ল্যাং হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটা পর্ন এর বেঠিক উচ্চারন, যেখানে o (ও) এর স্থলে 0 (শূন্য) বসানো হয়েছে।
নিচে লিট ভাষার অক্ষরগুলোর ভ্যারিয়েশন দেয়া হল।
• A = 4, /-\, @, ^, /\ , //-\\ /=\
• B = 8, ]3, ]8, |3, |8, ]]3, 13
• C = (, { , [[, <, €
• D = ), [}, |), |}, |>, [>, ]]), Ð
• E = 3, ii, €
• F = |=,(=, ]]=, ph
• G = 6, 9, (_>, [[6, &, (,
• H = #, |-|, (-), )-(, }{, }-{, {-}, /-/, \-\, |~|, []-[], ]]-[[,╫
• I = 1, !, |, ][, []
• J = _|, u|, ;_[], ;_[[
• K = |<, |{, ][<, ]]<, []<
• L = |,1, |_, []_, ][_, £
• M = /\/\, |\/|, [\/], (\/), /V\, []V[], \\\, (T), ^^, .\\, //., ][\\//][,JVL
• N = /\/, |\|, (\), /|/, [\], {\}, ][\][, []\[], ~
• O = 0, (), [], <>, *, [[]]
• P = |D, |*, |>, []D, ][D
• Q = commas are necessary: (,) or 0, or O, or O\ or []\
• R = |2, |?, |-, ]]2 []2 ][2
• S = 5,$,š
• T = 7, +, ']', 7`, ~|~, -|-, '][', "|", †
• U = (_), |_|, \_\, /_/, \_/, []_[], ]_[, µ
• V = \/ , \\//,√
• W = \/\/, |/\|, [/\], (/\), VV, ///, \^/, \\/\//, 1/\/, \/1/, 1/1/
• X = ><, }{, )(, }[
• Y = '/, %, `/, \j , ``//, ¥, j, \|/, -/
• Z = 2, z, 7_,`/_
নিচে লিট ভাষার কিছু ছবি দেয়া হল উইকিহাউ এর সৌজন্যে
১. সিম্বলগুলোকে আলাদা করার জন্য কমা ব্যবহার করা হয়।
২. সিম্বল | হচ্ছে ডাউন স্ল্যাশ বা পাইপ (উদাহরন : B = |3) যা ছোট হাতের L বা বড় হাতের I নয়।
৩. /-/ চিহ্নটি H এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু দ্রুত আলাপচারিতা বা চ্যাট এর ক্ষেত্রে এটার ব্যবহার সময়সাপেক্ষ। তাই এর ব্যবহার পরিহার করে সরাসরি H বা h ব্যবহার করাই উচিত।
সতর্কতা :
. লিট লিখা অনুশীলন করতে গিয়ে আপনি আসল ইংরেজী লিখা ভুলে যাবেন না যেন!
. লিট ভাষা শুধুমাত্র এখন মজা করার জন্যই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে এ ভাষা ব্যবহার করা উচিত না।
. কারো সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে লিট ব্যবহার না করাই ভালো, কারন এটা এক ধরনের বাজে উপায় যোগাযোগের জন্য।
. অনেকে লিট ভাষা সম্পর্কে অবগত নয়, সুতরাং যেখানে সেখানে লিট ভাষা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
. কিছু কিছু ওয়েবসাইটে লিট ভাষা ব্যবহার করলে আপনি ব্যান হতে পারেন, সুতরাং সাবধান। লিট ভাষাকে অনেকক্ষেত্রে স্প্যাম হিসাবে গণ্য করা হয়।
Tag :
হ্যাকিং ক্লাস
ওয়েব হ্যাকিং – আসুন আরম্ভ করা যাক (ব্যাকট্র্যাক ইনস্টল পদ্ধতি)
ধাপ : ১
প্রয়োজনীয় উপাদান
. ব্যাকট্র্যাক আইএসও এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
. ভিএমওয়্যার ওয়ার্কস্টেশন বা ভিএম প্লেয়ার ডাউনলোড করুন।
. উপরের যেকোন একটি ভার্চুয়াল মেশিন ইনস্টল করে নিন।
সতর্কতা : আপনি ৩২ বিটের অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪ বিটের ব্যাকট্র্যাক রান করাতে পারবেন না।
ধাপ : ২
ইন্সটলেশন প্রক্রিয়া
. একটি ভার্চুয়াল মেশিন তৈরী করুন
এই পয়েন্টে এসে এন্টার চাপুন।
Install backtrack আইকনে ক্লিক করুন অথবা sh –c “ubiquity” লিখে টার্মিনাল খুলুন।
উইন্ডোজ ইন্সটলের মত করে এখন কী-বোর্ড টাইপ এবং লোকেশন ইনফরমেশন দিন, যদি আপনি শুধুমাত্র ব্যাকট্র্যাক ইন্সটল করতে চান তাহলে নরমালি যান এবং ইরেজ করে দিয়ে সম্পূর্ন ডিস্ক ব্যবহার করুন অথবা যদি আপনি ব্যাকট্র্যাক অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে ব্যবহার করতে চান তাহলে পার্টিশান দেখিয়ে দিন। এখানে আমি ভার্চুয়াল হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করেছি।
সবোর্চ্চ ৩০-৪৫ মিনিট সময় লাগতে পারে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে।
ব্যাকট্র্যাক লগইন করা
রিস্টার্ট দেয়ার পর আপনি নিচের মত লগইন স্ক্রিন দেখতে পাবেন।
বুটেবল ইউএসবি ড্রাইভ তৈরী করার পদ্ধতি
প্রয়োজনীয় উপাদান
• একটি নূন্যতম ৪ জিবির পেন ড্রাইভ
• ব্যাকট্র্যাক ৫ আইএসও
• UNetbooin সফটওয়্যার
UNetbootin উইন্ডোজ ও লিনাক্স ডিসট্রিবিউশনের জন্য বুটেবল ইউএসবি ড্রাইভ তৈরী করার একটি প্রোগ্রাম। UNetbootin আপনার নির্ধারিত হার্ড ড্রাইভ থেকে ডিসট্রিবিউশন বা আইএসও ফাইলটি ডাউনলোড করে থাকে।
. আপনার পেন ড্রাইভটি কম্পিউটারে প্লাগ ইন করুন।
. UNetbootin স্টার্ট করুন এবং অপশন থেকে “diskimage” সিলেক্ট করুন, তারপর Backtrack 5 ISO সিলেক্ট করুন।
. আপনার পেন ড্রাইভ সিলেক্ট করুন এবং তারপর “ok” প্রেস করুন।
সতর্কতা : এতে আপনার পেন ড্রাইভ ফরম্যাট হয়ে যাবে এবং পেন ড্রাইভে রক্ষিত সকল ডাটা মুছে যাবে। সুতরাং ব্যাকআপ রেখে নিন।
আমি এ্যাডভান্সড লেভেলের লিনাক্স ব্যবহারকারী নই। তাই ব্যাকট্র্যাক ইন্সটলের ক্ষেত্রে কেউ কোন সমস্যায় পড়লে নিম্নোক্ত ফোরামগুলোতে ঢুঁ মারতে পারেন। অথবা কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন রাখতে পারেন। লিনাক্সে দক্ষরা হয়ত সেক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। ধন্যবাদ।
Tag :
টিউটোরিয়াল,
হ্যাকিং ক্লাস
ওয়েব হ্যাকিং – আসুন আরম্ভ করা যাক (একটু প্রস্তুতি)
একজন ভালো হ্যাকার নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে রাখতেই পছন্দ করে। সেক্ষেত্রে সে তার নতুন ভার্চুয়াল পরিচয় তৈরী করে। এই পরিচয়টাকে হ্যাকার সবোর্চ্চ গুরুত্ব দেয় এবং এটাই তার হ্যাকার জীবনের পরিচয় বহন করে। প্রতিটি হ্যাকারের একটি ভার্চুয়াল নাম থাকে। সেসকল ভার্চুয়াল নাম হয় ইংরেজী অক্ষর, সিম্বল ও লিট ভাষা মিলিয়ে। যারা লিট ভাষা সম্পর্কে জানেন না তারা লিট সম্পর্কিত এই পোষ্টটি দেখতে পারেন। একটি ইউনিক নাম নির্ধারন করতে হবে যেটা এখনও কোন হ্যাকার দখল করে নেয়নি। মনে রাখবেন, অন্য কোন হ্যাকারের নাম নকল করে রাখবেন না বা ব্যবহার করবেন না, যদি সে জানতে পারে আপনি তার নাম ভাঙিয়ে চলছেন, তাহলে হয়ত আপনার ভার্চুয়াল লাইফ হ্যাক করতে তার ৫ সেকেন্ডও সময় লাগবে না। সুতরাং নাম নিবার্চনের ব্যাপারে সাবধান।
নাম যত ছোট করা যায় ততই ভালো। হতে পারে সেটা একটি নাম্বার ও তিনটি ইংরেজী অক্ষরের সমন্বয়ে গঠিত। আপনি ভালো কোন ইংরেজী শব্দও বেছে নিতে পারেন। অত:পর সেটাকে লিট করে ফেলতে পারেন। তবে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি, আপনার পছন্দসই নামটি অবশ্যই গুগলিং করে নিবেন, যে এটা অন্য কোন হ্যাকারের নাম নয়তো?
লিট নাম জেনারেটর
লিট ট্রান্সলেটর
কোন অপারেটিং সিস্টেমটি আপনি ব্যবহার করবেন?
একটি ভালো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা একজন হ্যাকারের জন্য অন্যতম প্রধান শর্ত। নিচের তিনটি থেকে আপনি যেকোন একটি বেছে নিতে পারেন।
• Windows
• Apple/Mac OS
• Any OS on Linux Distribution
উপরোক্ত অপারেটিং সিস্টেমগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে সেগুলোর উপর ক্লিক করুন। তাহলে উইকিপিডিয়ায় রিডাইরেক্ট হবেন। এখন আপনি হয়ত বলবেন, মেহেদী ভাই লিস্টতো দিলেন কিন্তু এগুলোর মধ্যে কোনটি ভালো আমি কিভাবে বুঝব বা নির্ধারন করব? বা কোনটি আমার জন্য ভালো হবে? আসলে প্রতিটি অপারেটিং সিস্টেমেই তাদের নিজস্ব স্বকিয়তা রয়েছে এবং হ্যাকার তার দ্বারা নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে আটকাবে না। তাই হ্যাকারের জন্য এদের যেকোন একটি ব্যবহার করলেই চলে। পেছনের কয়েক যুগ ধরে উইন্ডোজই হচ্ছে হ্যাকারসহ সাধারন মানুষের প্রথম পছন্দ। অন্যদিকে এ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজের মত অত বেশি স্ট্যাবল নয়। অন্যদিকে আধুনিক হ্যাকারদের প্রথম পছন্দ হচ্ছে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমগুলো। তন্মধ্যে ব্যাকট্র্যাক অন্যতম। আমি হ্যাকারদের উইন্ডোজ অথবা লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করার ব্যাপারে রিকমেন্ড করব। লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমগুলো উইন্ডোজের পাশাপাশি ব্যবহার করা যায়। অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে শেষ কথা হচ্ছে, আপনি একজন ইলিট হ্যাকার হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাইলে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যাকট্র্যাক ব্যবহার করুন। ব্যকট্র্যাক ইনস্টল করার পদ্ধতি এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।
হ্যাকার ডেস্কটপ তৈরী করা
আপনার কম্পিউটারটির ডেস্কটপ হবে হ্যাকিং সম্পর্কিত ওয়ালপেপার সমৃদ্ধ। ডেস্কটপে যত কম আইকন রাখা যায় ততই ভালো। আপনি গুগল ইমেজ থেকে হ্যাকিং সম্পর্কিত ওয়ালপেপার ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
যে প্রোগ্রামগুলো আপনার থাকতেই হবে
. নোটপ্যাড – সবচেয়ে ভালো টেক্সট এডিটর ও এইচটিএমএল এডিটর।
. কিউকিউ প্লেয়ার – একটি মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার।
. ট্রিলিয়ান – এটা হচ্ছে একের অধিক সোস্যাল নেটওয়ার্কিং এ্যাকাউন্ট বা চ্যাটিং বা মেসেঞ্জারে লগইন করার অন্যতম ইঞ্জিন।
. টেলনেট – আপনি যে কম্পিউটারটি হ্যাক করতে চান সেই কম্পিউটারে যোগাযোগের একটি অন্যতম হ্যাকিং প্রোগ্রাম।
. উইনরার – এক্সট্রাক্ট করার অনন্য সফটওয়্যার।
. ফক্সিট রিডার – বেশ ভালো এবং হালকা পিডিএফ রিডার।
এছাড়াও হ্যাকারদের জন্য প্রয়োজনীয় টুলসের বিশাল সংগ্রহ এখান , এখান ও এখান থেকে নিয়ে নিতে পারেন। ধন্যবাদ।
সতর্কতা : টুলসগুলো নিজ দায়িত্বে ডাউনলোড ও ব্যবহার করবেন। আমি নিজে সেগুলো ডাউনলোড বা টেস্ট করিনি।
Tag :
হ্যাকিং ক্লাস
কিছু গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকিং ই-বুক ডাউনলোড করে নিন - ২
কিছু গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকিং ই-বুক ডাউনলোড করে নিন - ১
যারা হ্যাকিং প্রাকটিস করছেন, তাদের জন্য আজ নিয়ে এলাম আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকিং ই-বুক। আজই ডাউনলোড করে পড়াশোনা আরম্ভ করে দিন। বইগুলো আপনাকে বেসিক থেকে আরম্ভ করে এ্যাডভান্সড হ্যাকারে পরিনত হতে সাহায্য করবে। আপনাদের সংগ্রহে এ ধরনের আরো বই থাকলে আমাকে মেইল করতে পারেন। আমি এখানে যোগ করে দেব। ধন্যবাদ।Ubuntu : Powerful Hacks and Customizations
The Giant Black Book of Computer Viruses
Hacking For Beginners - a beginners guide for learning ethical hacking
Vulnerability Management for Dummies
O'Relly VoIP Hacks : Tips & Tools for Internet Telephony
Hacking : The Art of Exploitation
Ankit Fadia Hacking Book Collections
1000 Hacking Tutorials (The Best of 2008)
ডাউনলোড করুন






.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)










































