.....

Showing posts with label হ্যাকিং ক্লাস. Show all posts

w3af ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের দুর্বলতা খোঁজার উপায়


কোন ওয়েবসাইট হ্যাক করার প্রথম শর্ত হচ্ছে ঐ ওয়েবসাইটটি সম্পর্কে তথ্য সমৃদ্ধ করা এবং পরে সেটার দুর্বলতা খুজেঁ বের করা যাতে সেই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে হ্যাকার তার কার্যোদ্ধার করতে পারে। আজ আমরা দেখব কিভাবে w3af ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের দুর্বলতা খুজেঁ বের করা যায়। যদি আপনি BackTrack ব্যবহার করেন তাহলে আপনার জন্য কাজটি অতি সহজ হবে, কারন BackTrack এ w3af ইন্সটল করাই থাকে।

BackTrack ব্যবহারকারীদের জন্য
প্রথমে Application এ যান। তারপর BackTrack থেকে Exploitation এ যান। অত:পর Web Exploitation tools থেকে w3af gui তে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো খুলবে। এটাই আমাদের w3af  ওয়ার্কিং স্ক্রিন।





উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা w3af ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।
প্রথমে এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন।
এক্সট্রাক্ট করে ইনস্টল করে নিন।


w3af ব্যবহার করার নিয়ম
w3af ব্যবহার করা বেশ সহজ। যখন আপনি এতে ক্লিক করবেন নিচের মত একটি উইন্ডো পাবেন।




এখানে Target নামে একটি স্থান রয়েছে, যেখানে আপনি আপনার নির্ধারিত ওয়েবসাইটের এড্রেস বসাবেন। এছাড়াও নীচে Plugin ও Active নামে দুটি ট্যাব রয়েছে। ওয়েবসাইট এড্রেসটি টার্গেটে বসানোর পর আপনাকে উক্ত প্লাগিন সিলেক্ট করতে হবে স্ক্যান করার জন্য। যত বেশি প্লাগিন ব্যবহার করবেন, প্রক্রিয়াটি তত সময়সাপেক্ষ হবে। স্ক্যান টাইপ সিলেক্ট করে প্লে বাটন ক্লিক করুন।

স্ক্যানের ফলাফল
যখন স্ক্যান সমাপ্ত হবে তখন আপনি নিচের মত দেখতে পাবেন।




এবার নীচে ডান পাশে লক্ষ্য করুন। এখানে 2 0 0 নাম্বারসহ ভিন্ন ভিন্ন চিন্হের তিনটি পয়েন্টার রয়েছে। এগুলো হচ্ছে দুর্বলতার নাম্বার। যদি ২য় পয়েন্টারে নাম্বার পান, তাহলে ওয়েবসাইটটি হ্যাক করার সফলতা অনেক বেশি।



এখন Results এ যান, যেখানে আপনি স্ক্যানকৃত ফলাফল দেখতে পাবেন। উপরের উইন্ডোটিই হচ্ছে এক্সপ্লয়েট উইন্ডো। যদি আপনি মাঝের প্যানেলে কিছু দেখতে পান, তাহলে বুঝতে হবে ওয়েবসাইটটি হ্যাকিংয়ের জন্য উপযোগী। এখন আপনি প্রাপ্ত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে আপনার পছন্দ অনুযায়ী হ্যাকিংয়ের যেকোন পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটটি হ্যাক করতে পারেন।

ওয়েব হ্যাকিং – আসুন আরম্ভ করা যাক (লিট ভাষা)




লিট বা ‘l337’ এর সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে ‘elite’ বা ‘leet’। এটা একধরনের স্ল্যাঙ্গ ভাষা যা দ্বারা কম্পিউটার বা গেমিংয়ে কোন উচ্চ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত বা দক্ষ ব্যক্তিকে বোঝান হয়। leet শব্দটি এসেছে eleet থেকে। লিট ইংরেজী অক্ষরের একটি বিকল্প উপায় যেটা সাধারনত ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়। এটা বিভিন্ন অক্ষরের সমন্বয়ে তৈরী হয়। অক্ষরগুলো হতে পারে সংখ্যা, বড় বা ছোট ইংরেজী অক্ষর, সিম্বল বা চিন্হ ইত্যাদির সমন্বয়ে। যেমন leet হতে পারে 1337 বা l33t, eleet হতে পারে 31337 বা 3l33t.

যখন উইন্ডোজ ৯৫ রিলিজ হয়, তখন ‘দ্য ডেড কাউ কাল্ট’ নামে একটি অখ্যাত হ্যাকিং গ্রুপ উইন্ডোজ ৯৫ চালিত কম্পিউটারগুলোর দখল নেয়ার জন্য ‘ব্যাক অরিফিস’ নামক একটি হ্যাকিং সফটওয়্যার প্যাকেজ ব্যবহার করে এবং যার মাধ্যমে তারা 31337 নেটওয়ার্ক পোর্ট ব্যবহার করে হাজারো কম্পিউটার হ্যাক করতে সক্ষম হয়। তাদের ব্যবহৃত সফটওয়্যারটি ছিল শক্তিশালী একটি বাইপাস প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কম্পিউটারের কোন রেস্ট্রিকটেড প্রোগ্রাম বাইপাস করা যায়। হ্যাকার গ্রুপটির ব্যবহৃত নেটওয়ার্কের নামটিই মডিফাই হয়ে 31337 বা l337 বা eleet বা leet নাম লাভ করে।

বর্তমানে যারা এই লিট ব্যবহার করে তারা সকলেই হ্যাকার নয় বরং যারা কম্পিটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ ও ভালো গেমার তারাই বেশি লিট ব্যবহার করে।

কিছু উদাহরন (শব্দের শেষে ব্যবহার সাপেক্ষে)
(-xor) বা (-zor) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : haxor, pwnzor (H4x0r)

(-age) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : leetage, pwnage, skillage, speakage

(-ness) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : lulzness, leetness

(-ed) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
উদাহরন : owned,  pwned, hacked
অনেক সময় এটা আরো সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। যেমন : pwn'd, pwnt

(-& বা 7) : কী-বোর্ডে লক্ষ্য করুন & চিহ্নটি রয়েছে নিউমেরিক সিরিয়ালের সাত নম্বরে। তাই একে অনেক সময় and, anned, ant বা 7 ভাবে উপস্থাপন করা হয়।
উদাহরন : seven hill = &hill, banned = b&

(-zorz) : শব্দের শেষে ব্যবহার হবে
কোন কিছুর জোর বা বিশালত্ব বোঝাতে এটা শব্দের শেষে ব্যবহৃত হয়। যেমন : pwn বোঝান হয় কাউকে বোকা বানানো বা কোন ওয়েবসাইট আক্রান্ত করার ক্ষেত্রে, কিন্তু এর শেষে উপরোক্ত শব্দটি বসিয়ে pwnzorz করা হলে বোঝানো হবে, কাউকে মহা বোকা বানানো বা কোন হ্যাকিং কাজে বিশাল ভাবে কৃতকায হওয়া।

এছাড়াও ইন্টারনেট খুজলে এরকম আরো অনেক ব্যবহার পাওয়া যাবে।

Haxor and suxxor (suxorz)
শব্দ দুটো ‘hacker’ এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারনত শব্দের শেষে (-xor), (-zor), (-z) ব্যবহার করে এ সকল লিট প্রকাশ করা হয়।

n00b
এটা নিউবাই (newbie) এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারন হ্যাকার বা নতুন হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা হয়।

Owned and pwned
এটা owned, pwn বা poned এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। গেমিংয়ের ক্ষেত্রে বিজয়ীরা এবং হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে হ্যাকাররা কোন হ্যাকিং কাজে সফলতার ক্ষেত্রে উপরোক্ত শব্দগুলো ব্যবহার করে।

Pr0n
শব্দটি পর্নোগ্রাফির স্ল্যাং হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটা পর্ন এর বেঠিক উচ্চারন, যেখানে o (ও) এর স্থলে 0 (শূন্য) বসানো হয়েছে।

নিচে লিট ভাষার অক্ষরগুলোর ভ্যারিয়েশন দেয়া হল।
•    A = 4, /-\, @, ^, /\ , //-\\ /=\
•    B = 8, ]3, ]8, |3, |8, ]]3, 13
•    C = (, { , [[, <, €
•    D = ), [}, |), |}, |>, [>, ]]), Ð
•    E = 3, ii, €
•    F = |=,(=, ]]=, ph
•    G = 6, 9, (_>, [[6, &, (,
•    H = #, |-|, (-), )-(, }{, }-{, {-}, /-/, \-\, |~|, []-[], ]]-[[,╫
•    I = 1, !, |, ][, []
•    J = _|, u|, ;_[], ;_[[
•    K = |<, |{, ][<, ]]<, []<
•    L = |,1, |_, []_, ][_, £
•    M = /\/\, |\/|, [\/], (\/), /V\, []V[], \\\, (T), ^^, .\\, //., ][\\//][,JVL
•    N = /\/, |\|, (\), /|/, [\], {\}, ][\][, []\[], ~
•    O = 0, (), [], <>, *, [[]]
•    P = |D, |*, |>, []D, ][D
•    Q = commas are necessary: (,) or 0, or O, or O\ or []\
•    R = |2, |?, |-, ]]2 []2 ][2
•    S = 5,$,š
•    T = 7, +, ']', 7`, ~|~, -|-, '][', "|", †
•    U = (_), |_|, \_\, /_/, \_/, []_[], ]_[, µ
•    V = \/ , \\//,√
•    W = \/\/, |/\|, [/\], (/\), VV, ///, \^/, \\/\//, 1/\/, \/1/, 1/1/
•    X = ><, }{, )(, }[
•    Y = '/, %, `/, \j , ``//, ¥, j, \|/, -/
•    Z = 2, z, 7_,`/_

নিচে লিট ভাষার কিছু ছবি দেয়া হল উইকিহাউ এর সৌজন্যে









লিট নোট :

১. সিম্বলগুলোকে আলাদা করার জন্য কমা ব্যবহার করা হয়।
২. সিম্বল | হচ্ছে ডাউন স্ল্যাশ বা পাইপ (উদাহরন : B = |3) যা ছোট হাতের L বা বড় হাতের I নয়।
৩. /-/ চিহ্নটি H এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু দ্রুত আলাপচারিতা বা চ্যাট এর ক্ষেত্রে এটার ব্যবহার সময়সাপেক্ষ। তাই এর ব্যবহার পরিহার করে সরাসরি H বা h ব্যবহার করাই উচিত।


সতর্কতা :
.    লিট লিখা অনুশীলন করতে গিয়ে আপনি আসল ইংরেজী লিখা ভুলে যাবেন না যেন!
.    লিট ভাষা শুধুমাত্র এখন মজা করার জন্যই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে এ ভাষা ব্যবহার করা উচিত না।
.    কারো সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে লিট ব্যবহার না করাই ভালো, কারন এটা এক ধরনের বাজে উপায় যোগাযোগের জন্য।
.    অনেকে লিট ভাষা সম্পর্কে অবগত নয়, সুতরাং যেখানে সেখানে লিট ভাষা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
.    কিছু কিছু ওয়েবসাইটে লিট ভাষা ব্যবহার করলে আপনি ব্যান হতে পারেন, সুতরাং সাবধান। লিট ভাষাকে অনেকক্ষেত্রে স্প্যাম হিসাবে গণ্য করা হয়।  

ওয়েব হ্যাকিং – আসুন আরম্ভ করা যাক (ব্যাকট্র্যাক ইনস্টল পদ্ধতি)


আধুনিক অনেক হ্যাকার তাদের পছন্দের অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যাকট্র্যাক ব্যবহার করছেন। তাই আজ আমরা দেখব কিভাবে কম্পিউটারে ব্যাকট্র্যাক ইনস্টল করা হয়। সম্প্রতি অফেনসিভ সিকিউরিটি টিম কর্তৃক রিলিজ পেল ব্যাকট্র্যাক এর নতুন সংস্করন ব্যাকট্র্যাক ৫ আরথ্রি। আসুন তাহলে দেখে নেই কিভাবে ব্যাকট্র্যাক কম্পিউটারে ইনস্টল করা হয়।

ধাপ : ১
প্রয়োজনীয় উপাদান

.    ব্যাকট্র্যাক আইএসও এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
.    ভিএমওয়্যার ওয়ার্কস্টেশন বা ভিএম প্লেয়ার ডাউনলোড করুন।
.    উপরের যেকোন একটি ভার্চুয়াল মেশিন ইনস্টল করে নিন।
সতর্কতা : আপনি ৩২ বিটের অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪ বিটের ব্যাকট্র্যাক রান করাতে পারবেন না।


ধাপ : ২
ইন্সটলেশন প্রক্রিয়া

.    একটি ভার্চুয়াল মেশিন তৈরী করুন

.    ইন্সটলার আইএসও নিবার্চন করুন (backtrack 5 ISO)

.    Guest operating system হিসাবে Linux নিবার্চন করুন এবং Version হিসাবে Ubuntu নিবার্চন করুন।

.    আপনার ব্যাকট্র্যাক ভার্চুয়াল মেশিনের একটি নাম দিন ও লোকেশন দেখিয়ে দিন।

.    ভার্চুয়াল হার্ড ড্রাইভের জন্য স্পেস দিন (২০ জিবি হলে সবচেয়ে ভালো হয়।)

.    অত:পর ভার্চুয়াল উইন্ডো তৈরীর জন্য Finish এ ক্লিক করুন।

বুট স্ক্রিনে যাওয়ার জন্য Enter প্রেস করুন, তারপর Default boot text mode নিবার্চন করে Enter চাপুন।
এই পয়েন্টে এসে এন্টার চাপুন।

GUI (x server) চালু করার জন্য startx টাইপ করুন।
Install backtrack আইকনে ক্লিক করুন অথবা sh –c “ubiquity” লিখে টার্মিনাল খুলুন।


উইন্ডোজ ইন্সটলের মত করে এখন কী-বোর্ড টাইপ এবং লোকেশন ইনফরমেশন দিন, যদি আপনি শুধুমাত্র ব্যাকট্র্যাক ইন্সটল করতে চান তাহলে নরমালি যান এবং ইরেজ করে দিয়ে সম্পূর্ন ডিস্ক ব্যবহার করুন অথবা যদি আপনি ব্যাকট্র্যাক অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে ব্যবহার করতে চান তাহলে পার্টিশান দেখিয়ে দিন। এখানে আমি ভার্চুয়াল হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করেছি।

ফরোয়ার্ডে ক্লিক করুন এবং ইনস্টল করুন।

ইন্সটলেশন শেষ হওয়া পযর্ন্ত অপেক্ষা করুন।
সবোর্চ্চ ৩০-৪৫ মিনিট সময় লাগতে পারে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে।

শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।

ব্যাকট্র্যাক লগইন করা
রিস্টার্ট দেয়ার পর আপনি নিচের মত লগইন স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

ব্যাকট্র্যাক এর ডিফল্ট ইউজার নাম হচ্ছে “root” এবং পাসওয়ার্ড হচ্ছে “toor”। ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড টাইপ করার পর আপনি ব্যাকট্র্যাক শেল এ প্রবেশ করবেন। এখন ডেস্কটপে প্রবেশ করার জন্য টাইপ করুন “startx”।


বুটেবল ইউএসবি ড্রাইভ তৈরী করার পদ্ধতি
প্রয়োজনীয় উপাদান
•    একটি নূন্যতম ৪ জিবির পেন ড্রাইভ
•    ব্যাকট্র্যাক ৫ আইএসও
•    UNetbooin সফটওয়্যার

UNetbootin উইন্ডোজ ও লিনাক্স ডিসট্রিবিউশনের জন্য বুটেবল ইউএসবি ড্রাইভ তৈরী করার একটি প্রোগ্রাম। UNetbootin আপনার নির্ধারিত হার্ড ড্রাইভ থেকে ডিসট্রিবিউশন বা আইএসও ফাইলটি ডাউনলোড করে থাকে।

.    UNetbootin ডাউনলোড করার পর আপনি ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন। (উইন্ডোজের ক্ষেত্রে)
.    আপনার পেন ড্রাইভটি কম্পিউটারে প্লাগ ইন করুন।
.    UNetbootin স্টার্ট করুন এবং অপশন থেকে “diskimage” সিলেক্ট করুন, তারপর Backtrack 5 ISO সিলেক্ট করুন।
.    আপনার পেন ড্রাইভ সিলেক্ট করুন এবং তারপর “ok” প্রেস করুন।

সতর্কতা : এতে আপনার পেন ড্রাইভ ফরম্যাট হয়ে যাবে এবং পেন ড্রাইভে রক্ষিত সকল ডাটা মুছে যাবে। সুতরাং ব্যাকআপ রেখে নিন।

আমি এ্যাডভান্সড লেভেলের লিনাক্স ব্যবহারকারী নই। তাই ব্যাকট্র্যাক ইন্সটলের ক্ষেত্রে কেউ কোন সমস্যায় পড়লে নিম্নোক্ত ফোরামগুলোতে ঢুঁ মারতে পারেন। অথবা কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন রাখতে পারেন। লিনাক্সে দক্ষরা হয়ত সেক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। ধন্যবাদ।

ই-মেইল সাবস্ক্রিপশন

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

ক্যাটাগরীসমূহ

পৃষ্ঠাসমূহ

Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution 3.0 Unported License.
Protected by Copyscape

ব্লগটি মোট পড়া হয়েছে

বাঙলা ব্লগ. Powered by Blogger.

- Copyright © মেহেদী হাসান-এর বাঙলা ব্লগ | আমার স্বাধীনতা -Metrominimalist- Powered by Blogger - Designed by Mahedi Hasan -